Assignment

Class 6 Islam 5th Week Assignment Answer Publish

The directorate of secondary and higher secondary authority now published class 6 Assignment answer 2020 all subject. Which students are searching online for this assignment now thir we given this post. Hope you can easily download your necessary question answer by this post. If you are a student of class six and looking for the assignment, you can collect it from there now. We have given all subject Class SIX Assignment answer 2020.

Class 6 Islam 5th Week Assignment Answer

Today we have given here Class 6 Islam 5th Week Assignment Answer,  Who searching 5th Soptaher Islam Dhormo Assignment Somadhan you can download by this post, যদি কেউ বাংলায় খুজতে খাকেন তাহলে এই ভাবে ষষ্ঠ শ্রেণীর ৫ম সপ্তাহের হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা সমাধান। 2nd Islam dhormo and Moral Education Assignment Solution 5th Week For Class6. Assignment Task 2

Class 6 Islam 5th Week Assignment

Class 6 English Assignment Answer

Class 6 Home Science Assignment Answer

Class 6 Islam Assignment Answer

Class 6 Math Assignment Answer

Class 6 Hindu Dhormo Answer

Class 6 Buddhism 5th Week Assignment Answer

Class 6 Math Assignment Answer

শ্রেণি: ৬ষ্ঠ, বিষয়: ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা, ৫ম এসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন

এ্যাসাইনমেন্টের ক্রম: নির্ধারিত কাজ-২

অধ্যায় ও বিষয়বস্তুর শিরােনাম:

পঞ্চম অধ্যায়: আদর্শ জীবন চরিত

এ্যাসাইনমেন্ট/নির্ধারিত কাজ:

  • ১। সমাজে ন্যায় বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আমরা হযরত উমর (রাঃ) এর খিলাফত থেকে কী কী শিক্ষা লাভ করতে পারি? তােমার পাঠ্য বইয়ের আলােকে বিশ্লেষণ কর।
  • ২। “প্রজাহিতৈষী হিসেবে একজন মহান শাসকের মূর্ত প্রতীক ছিলেন খলিফা উমর (রাঃ)”-ব্যাখ্যা কর।

নমুনা উত্তর দেখুন:

  • ১. সমাজে ন্যায় বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে হযরত উমর (রাঃ) এর খেলাফত
  • উত্তর
  • এই আলোচনা শেষে তোমরা ৮ম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের ৫ম এসাইনমেন্ট এর নিচের প্রশ্নের উত্তর করতে পারবে-

    ১। সমাজে ন্যায় বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আমরা হযরত উমর (রাঃ) এর খিলাফত থেকে কী কী শিক্ষা লাভ করতে পারি? তােমার পাঠ্য বইয়ের আলােকে বিশ্লেষণ কর:

    হযরত ওমর  (রা.)-ছিলেন মুসলিম জাহানের দ্বিতীয় খলিফা।

    ইসলামের প্রথম খলিফা আবু বক্কর সিদ্দিক (রা.)-এর ইন্তেকালের পরে তার অন্তিম ইচ্ছা অনুযায়ী হযরত ওমর (রা.)-৬৩৪ খ্রিস্টাব্দে ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা নির্বাচিত হন, তা অধিকাংশ সমর্থন করেন।

    তিনি ৫৮৩ খ্রিস্টাব্দে কুরাইশ বংশের আদি গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাকনাম আবু হাফ্স, পিতার নাম খাত্তাব,  মাতার নাম হানতামা।

    ইসলাম গ্রহণের পর তিনি ফারুক(সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী) উপাধিতে ভূষিত হন। বাল্যকালে তিনি উট চরাতেন, যৌবনের শুরুতে যুদ্ধবিদ্যা, কুস্তি, বক্তৃতা ও বংশ তালিকা সম্পর্কে পারদর্শী ছিলেন।

    হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর নবুয়তপ্রাপ্তির সময় কুরাইশ বংশের ১৭ জন ব্যক্তি লেখাপড়া জানতেন, তিনি তাঁদের মধ্যে ছিলেন অন্যতম।

    হযরত ওমর (রা.) খলিফা নির্বাচিত হওয়ার পর মুসলিম সাম্রাজ্য বিস্তারের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে।

    এসময় রোম, পারস্য, সিরিয়া, মিশর ও ফিলিস্তিন মুসলিম সাম্রাজ্যভুক্ত হয়।

    তিনি রাজ্যশাসনে রাসুল (স.)-এর আদর্শ অনুসরণ করতেন। তিনি আইনের চোখে সকলকে সমান ভাবে দেখতেন।

    এমনকি মদপানের অপরাধে স্বীয়পুত্র আবু শামাকে শাস্তিদানে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি।

    ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় তিনি ছিলেন যেমন কঠোর,  তেমনি মানুষের দুঃখ-কষ্টে ছিলেন অতি কোমল।

    তিনি সাধারণ প্রজাদের অবস্থা জানার জন্য রাতের আঁধারে একাকী বের হয়ে পড়তেন। প্রয়োজনে তিনি নিজের কাঁধে খাদ্য সামগ্রী বহন করে গরিব-দুঃখী মানুষের মাঝে বিতরণ করতেন।

    হযরত ওমর (রা.)-এর সরলতা ও কর্তব্য জ্ঞান ছিল তাঁর জীবনাদর্শ। ন্যায়-পরায়নতা ও একনিষ্ঠতা ছিল তার শাসনামলের মূলনীতি। তারমধ্যে কঠোরতা ও কোমলতার ব্যাপক সমন্বয় ঘটেছিল।

    আমরা হযরত ওমর (রা.)-এর মহান আদর্শ মেনে চলবো এবং সে অনুসারে জীবন গড়বো।

    এই ছিল ৮ম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের ৫ম এসাইনমেন্ট এর সমাজে ন্যায় বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আমরা হযরত উমর এর খেলাফত থেকে কী কী শিক্ষা লাভ করতে পারি? তােমার পাঠ্য বইয়ের আলােকে বিশ্লেষণ।ঊত্তর দিয়েছে।।খাদিজাতুল স্বর্ণা, কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ

  • প্রজাহিতৈষী হিসেবে একজন মহান শাসকের মূর্ত প্রতীক ছিলেন খলিফা ওমর (রা.)” ব্যাখ্যা-

    হযরত ওমর ফারুক ছিলেন মুসলিম জাহানের দ্বিতীয় খলিফা।

    তিনি ৫৮৩ খ্রিস্টাব্দে কুরাইশ বংশের আদি গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ডাকনাম হাফ্স।

    ইসলাম গ্রহণের পর তিনি ফারুক (সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী) উপাধিতে ভূষিত হন। ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় তিনি ছিলেন যেমন কঠোর তেমনি মানুষের দুঃখ-কষ্টে তিনি ছিলেন অতি কোমল।

    তিনি সাধারণ প্রজাদের অবস্থা জানার জন্য রাতের আঁধারে একাকী বের হয়ে পড়তেন। প্র‍য়োজনে নিজের কাঁধে খাদ্য সামগ্রী বহন করে গরিব-দুঃখী মানুষের মাঝে বিতরণ করতেন।

    তার শাসনামলে রাজ্যে কোন অভাব-অনটন ছিল না। সেসময় কৃষি কাজে ব্যাপক উন্নতি হয়েছিল।

    তিনি ডাকবিভাগ প্রবর্তন, সাম্য ও ন্যায় এর বাস্তব শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।

    তিনি হিজরী সন প্রবর্তন করেন। জনকল্যাণে তিনি অসংখ্য মসজিদ, বিদ্যালয়, সেতু, সড়ক, হাসপাতাল নির্মাণ করেন। পানির জন্য তিনি অনেক খালও খনন করেন।

    ইনসাফ প্রতিষ্ঠার তিনি বায়তুলমাল থেকে প্রাপ্ত কাপড় সেই পরিমাণ গ্রহণ করতেন যে পরিমাণ সকলের জন্য নির্ধারিত ছিল।

    জেরুজালেমে যাওয়ার পথে ভৃত্যকে উটের পিঠে চড়িয়ে নিজে উটের রশি ধরার দৃষ্টান্ত একজন ন্যায়পরায়ণ শাসকের বিরল ঘটনা।

    অর্ধপৃথিবীর শাসক হয়েও তাঁর কোন দেহরক্ষী ছিল না, খেজুর পাতার আসন ছিল তাঁর সিংহাসন। জনসেবাই ছিল তাঁর ব্রত।

    তাই বলা যায়, প্রজাহিতৈষী হিসেবে একজন মহান শাসকের মূর্ত প্রতীক ছিলেন খলিফা ওমর (রা.)

    এই আলোচনায় তোমরা অষ্টম শ্রেণির ৫ম এসাইনমেন্ট এর ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের উত্তর করতে পারবে;

Tags

Test Result BD

Welcome to visit our website. Hope you can take your necessary information.

Related Articles

Back to top button
Close